ADs by Techtunes ADs
ADs by Techtunes ADs

এ ঘটনার পর কিভাবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ ডিজিটাল হবে?

পড়াশোনার চাপে লেখা লেখি খুব কম ই করি। তারপরে আজ মনের দু:খ নিয়ে কিছু কথা লিখতে হচ্ছে। প্রসঙ্গ নতুন নয়, সেই পুরানোই। তবে এবার পুরানো ঘটনায় কিছুটা নতুন ভাবে।

ADs by Techtunes ADs

ঘটনার সূত্রপাত:
বেশ কিছুদিন আগে, সাইফ (সাইফ দি বস) এর জেএসসি পরীক্ষা চলছিল, তার ব্লগ saiftheboss.com এ হুবুহু বিজয় এর মত করে তৈরি করা customized একটা লেআউট ছিল। নেহাত এ অভ্র বিজয় ঝামেলার পর অনেকের ই যারা আগে অভ্র ব্যবহার করে বাংলা লিখতেন, তাদের সুবিধার জন্যই এটি তৈরি করা ছিল। যাই হোক, ঘটনা গড়াতে গড়াতে বিজয় এর মোস্তফা জব্বার (ডিজিটাল বাংলাদেশের কর্ণধার) এর ফেসবুক এর ওয়াল পর্যন্ত গড়াই, এবং তিনি লেআউট টি কপি রাইটের অজুহাতে টা মুছে দিতে বলেন। নেহাত এ ঝামেলাই ই যেতে চাই না, মেডিকেল এ পড়ি, উটকো ঝামেলায় জড়ানোর কোন মনে আমি দেখি নি। আব্বা আম্মার জন্য জেএসসি পরীক্ষার মধ্যে বাসায় নেট ও ছিল না। সাইফ এর সাথেও রাজশাহী থেকে কোন ভাবে যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। পরে admin হয়ে ওর ব্লগ থেকে লে আউট টি সরিয়ে রাখলাম। ঝামেলা মিটে গেল, কিন্তু প্রযুক্তি প্রেমী এক ছোট বালকের জন্য টা যেন এক অন্যরকম চ্যালেন্জ হয়ে উঠল। এত খেটে খুটে বানানো এক কী বোর্ড আর কারো উপকারে লাগবে না, তা কী হয়? শুরু হয়ে গেল আরেকটি অধ্যায়।

নতুন পথচলা:
ঠিক ই সাইফ আইন না ভেঙ্গেই তার কী বোর্ড যেন সবার কাজে লাগতে পারে সেই চেষ্টা করতে থাকে। আইডিয়া ও চলে আসে, সে বিজয় কী বোর্ড এর প্রতি টা কী স্ট্রোক এর অক্ষর গুলো কে উল্টো করে সাজিয়ে ফেলে। ফলে এক নতুন ধরণের কী বোর্ড ভেসে উঠে, যেমন বিজয় এর সব শিফট চেপে আশা অক্ষর গুলো কে সে শিফট না চেপেই দেবার ব্যবস্থা করে দেই, ফলে বিজয় কী বোর্ড এ যেটা শিফট চেপে দিতে হতো টা এখন, শিফট না চেপে দিলেই হবে। আর আগের সরাসরি গুলো শিফট চেপে আনতে হবে। আইডিয়া টি যেমন প্রশংসার যোগ্য তেমনি কৃতিত্বের দাবিদার ও। বের হল লেআউট এর নতুন ভার্সন 3। বিজয় যদি আসলেও কেও মনে প্রাণে সাপোর্ট করে এ দিয়ে লিখতে তার খুব সমস্যা হবে বই কী! যেমন সে “কলা” লিখতে যেয়ে লিখে ফিলবে “খরঅ”। মূলত যারা সাইফ এর কী বোর্ড ব্যবহার করে লিখবে, পুরাতন বিজয় ব্যবহার কারীদের এই সমস্যাই পড়তে হবে। পোস্ট টি দেখুন এখানে: http://www.saiftheboss.com/1003.html

বিপদের সূত্রপাত :
এই কী বোর্ড লেআউট নিয়ে অভ্র আর বিজয় নিয়ে কত কেচ্ছা কাহিনী হল। কীবোর্ড বিতর্ক আর শেষ হলো না। জব্বার সাহেব মেল করলেন আমাকে আর আমার ছোট ভাই কে, অবিলম্বে এই কী বোর্ড টিও সরিয়ে নেবার জন্য। নাহলে কপিরাইট আইনের মারপ্যাচে যে সাইফ কে বেশ ভুগতে হবে, সে কথাও তিনি মেল এ লিখলেন। আমাকে লিখলেন ঈদ এর দিন তিনি পুলিশ স্টেশন এ যেতে চান না। ক্লাস 8 এ পড়া একজন ছেলেকে যদি কপিরাইট এর মারপ্যাচ বুঝাতে চান সেকি কিছু বুঝতে পারবে নাকি বুঝতে চাবে। আমি ফিরতি মেল এ জানতে চাইলাম, আপনার বিজয় এর কপিরাইট এর এক কপি আপনার ওয়েবসাইট বা কোনো পত্রিকায় দিয়ে দিন, যাতে সে বুঝতে পারে যে সে কোথায় ভুল করছে। তিনি আমাকে টাকা দিয়ে তুলে নিতে বললেন। বেশ অবাক হলাম। ক্লাস ৮ এ পড়া একটা ছেলে বিজয় কীবোর্ড থেকে আলাদা একটা কী বোর্ড বানিয়েছে, তাকে কোথায় বাহবা দিয়ে ভবিষ্যত এ আর যাতে দুনিয়া কাপান সফ্টওয়্যার বানাতে পারে তার ইন্সপিরেশন না দিয়ে তিনি আগারগও থেকে কপিরাইট এর কপি টাকা দিয়ে উঠিয়ে নিয়ে আসতে বললেন। বিচিত্র এই দেশ! সেলুকাস! বিচিত্র আমরা!

বর্তমান অবস্থা:
মা বাবা ভদ্রতা শিখিয়েছেন ছোট বেলা থেকেই। বাইরে যত কোথায় শুনি বিজয় দিয়েই বাংলা লেখার হাতেখড়ি, মোস্তফা জব্বার সাহেব কে শ্রদ্ধা করি। মেল করেছেন, বিজয় কী বোর্ড এর লে আউট ডাউনলোড লিঙ্ক আপাতত স্থগিত রেখেছি। নিজে মাইক্রোসফ্ট এর বাংলা ল্যাঙ্গুয়েজ টূল দিয়ে বাংলা লিখি। তিনি আব্দার করলেন তার নামে ব্লগ এ যত গুলো কমেন্ট এসেছে সেগুলো ও মুছে দিতে হবে, এও কী সম্ভব? মানুষের ভাল খারাপ কমেন্ট করবে, ভাল না লাগলে মুছে দিতে হবে?

বাংলা দেশ বাংলা ভাষা নিয়ে আমার আশা:
যুদ্ধ দেখিনি, তবে ভাষার জন্যই যে যুদ্ধ হয়েছিল তা জানি। তবে যুদ্ধ শেষ হয়েছে কিনা জানিনা! আজও হাজার মানুষ জানে না কিভাবে ওয়েবসাইট এ বাংলা লিখতে হয়, কিভাবে তার জানা চিরাচরিত বিজয় এ সে ওয়েবসাইট এ বাংলা লিখবে, জানেনা, এক্সপি তে বিজয় ইনস্টাল থাকার পর ও কেন ফেস বুক এর বাংলা লেখা বক্স বক্স আসে। জানেনা সে কোনও কপিরাইট লংঘন করছে কিনা। জানেনা টাকা ছাড়া লিগাল ভাবে কিভাবে সে চেনা লেআউট এ সহজে বাংলা লিখতে পারবে! জানতে পারবেও না! ভাষা কে যাদের সামনে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল, তারাই আজ ভাষা কে শিকল দিয়ে রেখেছে। হইত কোনও ব্যক্তিস্বার্থ বা অর্থলোলুপ দৃষ্টিভঙ্গি। চেয়েছিলাম ফেব্রুয়ারী এর কড়া ভাষণের মত “সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু কর”, আপাতত ভাই পুরান চেনা লে আউট এ কোনরকম বাংলা টা লিখতে পারলেই বাচি।

দেশের স্বার্থ সবার আগে!
লে আউট এর কপিরাইট থাকবে না টা বলছি না! থাকবেই! তিনি এত কস্ট করে একটি কীবোর্ড বানিয়েছেন তার মেধার মূল্য আপনি দেবেন না! মেধাসত্ব আইন বলে একটা কথা আছে না! কিন্তু যে আইনে এক মেধার জন্য হাজার মেধা বিকশিত হবার পথ রুদ্ধ হয়, যে আইনে ক্লাস ৮ এ পড়া একটি বাচ্চা ছেলে কে জেলের ভয় কিংবা উকিল আদালতের ভয় দেখতে হয়, সেখানে মেধা কী হাওয়া থেকে আসবে? দেশকে গড়বে নতুন প্রজন্ম। দেশ কে ভালো বসলে আমাদের কিছু ব্যক্তিস্বার্থ কে বলিদান দিতে হবে।

শেষ কথা:
Inception মুভি তে দেখেছিলাম, নায়ক বলে “When an idea has taken hold of the brain, it is almost impossible to eradicate” সাইফ এখন নব আবিস্কারে উন্মত্ত। ওর ই তো সময়। এভাবে যদি আপনারা এক একটি প্রতিভা কে মূলেই কেটে ফেলেন, তাহলে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ তো বন্ধ্যা হয়ে যাবে। শুধু নামে দেশ ডিজিটাল হলেও হতে পারে কিন্তু কাজে দেশকে আগাতে হবে। একটি মাত্র আইডিয়া ও দেশের চেহারা কে বদলে দিতে পারে, নতুন আইডিয়া কে গ্রহণ করার মানুষিকতা দাও আমাদের প্রভু। দেশকে ভালোবাসার শক্তি দাও, সাহস দাও।

আমি তৌফিক হাসান (শাওন দি বস 4)
রাজশাহী মেডিকেল এ আছি. . .

যে কেও লেখাটা যেখানে খুশি সেখানে নাম উল্লেখ পূর্বক শেয়ার করতে পারেন।

ADs by Techtunes ADs

ADs by Techtunes ADs
Level New

আমি ইলিয়াস আহমেদ। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 10 বছর 7 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 28 টি টিউন ও 399 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 0 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।

আমি ইলিয়াস আহমেদ, তথ্য প্রযুক্তি ভালবাসি.নিজেকে সবসময় তথ্য প্রযুক্তির মাঝে ডুবিয়ে রাখতে চাই, আশাকরি আপনাদের মাঝে নিয়মিত থেকে অনেক কিছু জানাতে এবং জানতে পারব ।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

মুস্তফা জব্বার একটা শিক্ষিত মূর্খ। এদের কারনে দেশ কোনদিন ডিজিটাল হবেনা। এরা দেশ কে কখনো এগিয়ে যেতে দিবেনা। পদে পদে এরা বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। নিজ নিজ অবস্থানে থেকে যদি এরা একটু সাহস একটু সহায়তা করত আমরা অনেক এগিয়ে যেতে পারতাম। মুস্তফা জব্বার রা তোমাদের সুমতি হোক ।

আসলে মোস্তফা জব্বার কোন ভিলেন না। উনার ও নিশ্চয়ই কিছু যুক্তি আছে। আসলে আমরা যখন কাউকে নায়ক বানায় তখন তাকে মাথ্য তুলে ফেলি। আর ভিলেন বানালে…… আর আপনি যদি ভিলেন মনে করেন তবে আপনার উচিত চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া। আমরা আপনার সাথেই আছি। ডিজিটাল হোক বা না হোক আমরা চাই সমৃদ্ধ্ব বাংলাদেশ। আপনাদের জন্য শুভ কামনা। ধন্যবাদ।

চাচা মিয়া যা শুরু করছে তা মাত্রা তিরিক্ত হয়ে যাচ্ছে।
এখনও কিছু মানুষ বিজয় ব্যবহার করে। কিন্তু উনার এই উগ্রতা যদি সবার কাছে প্রকাশ পায় তাহলে উনার বিজয় আর উনার কীবোর্ড উনার একাই ব্যবহার করা ছাড়া উপায় নেই।

কি ভাবে নিজের অবস্থান থেকে সাইফ কে সাহায্য করতে পারি – জানাবেন।

কাগুর মাথা ঠিক নাই। বর্তমান আরএকটা নতুন ধান্দা পেয়েছেন কিনা। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে কম্পিউটার গুলো দেওয়া হচ্ছে সেখানে প্রতিটি কম্পিউটারে বিজয় একুশে দেওয়া হচ্ছে এবং ৫০০০/- করে পাচ্ছেন প্রতিটি থেকে এটা নিশ্চিত। এখন তার সফটওয়ারের কাজ যদি অন্য সফটওয়ার দিয়ে হয়ে যায় তাহলে ৫০০০/- টাকার বোঝা টা একটু বেশি ভারি হয়ে যায় কিনা। এজন্যে এত সব বাহানা।

মূলত যারা সাইফ এর কী বোর্ড ব্যবহার করে লিখবে, পুরাতন বিজয় ব্যবহার কারীদের এই সমস্যাই পড়তে হবে। পোস্ট টি দেখুন এখানে:

কিন্তু পোস্টির পাসওয়ার্ড তো জানিনা দেখবো কি করে?

ভাই যদি পাসওয়ার্ড জানেন তবে পাসওয়ার্ড দেন আর না জানলে যার কাছে সফটওয়ার আছে সফটওয়ারটি মিডিয়া ফায়ারে আপলোড করে লিংটি দিয়ে দেন আর দেখেন রাতারাতি সবার কাছে পৌছে যাবে। আমরা সবাই আন্দলনে যোগ দেই আমাদের মাত্রি ভাষা কে আমাদেরই রক্ষা করতে হবে।কারন কিছু দিন আগে মোস্তফা মিয়া মেহেদি ভাইএর সাথে যে ব্যাবহার করেছে তা আমরা ভুলিনি। আজ থেকে আমরা সবাই বিজয় কী বোর্ড ব্যবহার বাদ দেই আমরা যদি আমাদের ভাষা কে এই ভাবে দালাল দের হাতে বন্দি করে রাখতে দেই তবে আমরা উন্নত দেশের সাথে তাল মিলাতে পারব না।বিজয় এর মতই যে লিখতে হবে এমন তো কোন কথা নেই আমরা ইচ্ছে করলেই আমাদের লেখার ষ্টাইল চেঞ্জ করতে পারি।আমাদের একটু স্যদ ইচ্ছাই পারে অনেকের প্রতিভাকে বিকষিত করতে।

Level 0

আমার যদি ক্ষমতা থাকতো তাহলে এই মোস্তফা জাব্বার সাহেবকে বাংলাদেশ কম্পিউটার এসোসিয়েশন থেকে বরখাস্ত করতাম। উনি উনার বিজয়রে যে কি মনে করেন তা তিনিই জানেন। তার একটু চিন্তা করা দরকার একটা কিছু গবেষনা করতে করতেই তো ভালো কিছু আবিষ্কার হয়। আর জাহিদ ভাই যেটা বলেছেন। যে প্রতিটি স্কুল প্রতিষ্ঠানে বিজয় একুশে দেওয়ার জন্য যে ৫,০০০ করে টাকা নিচ্ছেন। তা সঠিক। আমাদের মুন্সীগঞ্জ এ প্রতিটি ইউনিয়নে তথ্য ও সেবা কেন্দ্র চালু হয়েছে সেখানে প্রতিটি ইউনিয়নে আমি নিজে সকল কম্পিউটার সেটআপ দিয়েছি। প্রতিটি কম্পিউটার দেখেছি যে, প্রতিটি কম্পিউটারে অভ্র দেয়া আছে। তার একটু বোঝা দরকার মানুষ কেন তার বিজয় হতে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। সাইফ দ্যা বসকে ধন্যবাদ একটু নতুন লেআউট তৈরি করার জন্য। আপনি এগুতে থাকুন। কোন প্রকার সাহায্য করতে পারলে খুবই খুশি হবো।

বিজয়কে আমার কোন দিন ভালো লাগে নি। লিখতে কষ্ট হতো বলে বিজয় দিয়ে লিখতাম না। অভ্র এর খোজ পাওয়ার পর নিয়মিত লিখি।

একটু বোঝার চেষ্টা করুনঃ

আমারা আন্দোলন করে বিজয় ওপেন সোর্স বা ফ্রি করলেই পারি……………

কিন্তু উইন্ডোস কপিরাইট মাইক্রোসফটের ততক্ষন কেউ এটার কোন অংশ এডিট বা বিক্রি করতে পারে না। কোন অপারেটিং সিস্টেমের ইন্টারফেস ও কার্যপদ্ধতি এক নয়।কেন?

ধরুন আপনার একটি পন্য আছে যেটার অনেক চাহিদা, লাভও অনেক। সেটার সত্তাধিকারও আপনার (সেটা যেভাবেই অর্জন করে থাকেন না কেন)………
এটার একটা সুবিধা আছে, সেটাই আপনার ব্যবসা টিকিয়ে রেখেছে। এখন এটা বিনা অনুমতিতে আংশিক বা পূর্ণ………..

আমরা যা করতে পারিঃ

১. বিজয়ের স্বত্তাধিকার কিনে নিতে পারি,
২.শুধু বিজয় লেআউটের স্বত্তাধিকার কিনে নিতে পারি,
৩.আন্দোলন করে বিজয় ওপেন সোর্স বা ফ্রি করতে পারি
এগুলো সরকারি ভাবেও হতে পারে

আমরা যা করতে পারি নাঃ
১. ক্রাক,কপি করতে (ক্রাক কবার হচ্ছে সেই হ্যাক যার উদ্দেশ্য খারাপ)
২.সম্পত্তির মালিককে দোষ আরোপ করতে (আমার যিনিষ ফ্রি দিব না কার বাপের কি?)
৩.সেটার নকল করতে (সেটা দেখে দেখে একই কাজের একি ধরনের কিছু তৈরি করতে)

সাইফ বিজয় দেখে (এর মতই বানাতে হবে) না করে, নিজ থেকে করলে সেই প্রতিভা পজেটিভ ছিল…………..
(উইন্ডোসের নাম বদলে ওএস ফ্লচিমিনারতেএক্স রেখে বললাম দেখ দেখ বাঙ্গালিও পারে…..)

তবু জব্বার সাহেবের বোঝা উচিত…ভালবাসাই কাম্য……নিন্দা নয়….

তাই আশা রাখছি তিনি আমাদের অভিভাবকের কাজটিই করবেন……………………………

______________________________________________________________________________________________

বিশেষ দ্রবষ্টঃ এটি জমতে থাকা ক্ষোভ (সেটি দুদলের উপরেই) এর বহিঃ প্রকাশ এবং কাউকে বক্তিগত ভাবে ছোট বা হেয় করার জন্য নয়।
স্বাধীন এক দেশের স্বাধীন এক ব্যক্তির স্বাধীন এক মন্তব্য।
____________________________________________________________________________________________
____________________________________________________________________________________________|
সাইনিং বাইঃST
ডিসপ্লে নেমঃনতুন পন্ডিত
টিউনঃ ০ । পেন্ডিং ১ । ড্রাফটঃ ০ । আইডিয়াঃ বহুত(!) ।লাস্ট লগইনঃ ০ সেকেন্ড আগে। নেক্সট লগইনঃ নোবডি নোস বাট আল্লাহ
কন্টাক্ট গুলো (ই-কার্ড) খুজে পাবেন ….imrantalukder.blogspot.com…..
___________________________________________________________________________________________
___________________________________________________________________________________________|

ভাইয়া আমার দিনাজপুরের লোকেরা তাদের আঞ্চলিক ভাষায় কি বলে জানেন??
”বাংলাদেশের ডিজিটাল দিন দিন ডিজিটাইল হছে।”

আমি সাইফের উদ্যোগ কে স্বাগতম জানাচ্ছি। মোস্তফা জব্বার হচ্ছেন ডিজিটাল ছাগু। তিনি কি বিজয় বিক্রি ছাড়া আর কোন ব্যবসা করতে পারেন না? শুধুমাত্র এক বিজয়ের কারণের এখনকার অনেক তরুণ প্রোগ্রামার বিপাকে পড়ছেন সাইফ আর মেহেদী ভাইয়ের মত। কোথায় তিনি নতুন প্রজন্মকে আরো উৎসাহিত করবেন তাদের সৃষ্টি দিয়ে জগৎ সাজাতে, তা না করে তিনি কিনা তাদের বিরুদ্ধে আদা-জলকখেয়ে লেগেছেন!

একটা কী-চেঞ্জ করলে যেখানে সম্পূর্ণ লেআউট চেঞ্জ হয় সেখানে প্রত্যেকটি কী চেঞ্জ করার পরও কিভাবে কপিরাইট ভঙ্গ হয়! আর অনেকেই বলছেন সাইফ কেন এই লেআউটের পিছনে লেগেছে, অন্য কোন লেআউটওত বানাতে পারত। কিন্তু ভেবে দেখুন কোনটার দরকার। নতুন কী-বোর্ড লেআউটের, নাকি বিজয়ের বিকল্পের। পুরাতন বিজয় ব্যবহারকারীদের জন্য অবশ্যই বিজয়ের বিকল্প একটা ব্যবস্থা দরকার। কারন অনেকেই আছেন যারা বিজয় ছাড়া লিখতে পারেন না(ফোনেটিক থাকতে কেন এ সমস্যা তা আমার বোধগম্য নয়)। এভাবে মানুষ বিজয় ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে ফ্রী সফটওয়্যার থাকতে তাকে টাকা দিয়ে বিজয় কিনতে হচ্ছে।

অভ্রু যদি না থাকতো তাহলে আমি আজ বাংলা লিখতে পারতাম না। আসলে এরা হলো হিংসুক প্রকৃতির লোক। সেই চায় বাংলাদেশের মানুষ শুধু বিজয় ব্যবহার করুক। এরাই হলো সার্থপর লোক, এদের কে সবাই ঘৃনা করা উচিত।

আব্দুল জব্বার নিজেই তো ১ টা চোর সে অন্য কে কি করবে ??? সাইফ বস আর কেবর্ড তার কাছে পান লাগে কারণ আব্দুল জব্বার প্রোগ্রামিং আর কিচুই জানে না . বিজয় কেবর্ড তার নিজের না প্রমান দেকতে নিচের লিঙ্ক এ ক্লিক করেন
ক্লিক করেন : http://fdcse11.blogspot.com/

পোস্টটার পাসওয়ার্ড পেয়ে গেছি! আন্দাজে ‘thebosslayout’ (without quotes) টিপ দিছিলাম। ‍খুলে গেছে! এইটা মনে হয় ইচ্ছাকৃত!

ভাই একটা উদাহরণ দেই…।। আপ্নারা তো অনেকেই নতুন social working website “diaspora” এর নাম শুনেছেন আশা করি যা অনেকটা facebook এর মতো
কিন্তু আপ্নারা কি জানেন এটা প্রধান donar বা দাতা কে???মার্ক জুকারবার্ক
উনি তো প্রতিহিংশায় ভোগেন নাই!! তাহলে জব্বার মিয়ার এত চুল্কানি কেন??
জব্বার আর তার “আনন্দ পাবলিশারস” হল “গ্রামীনফোনের” মতোই রক্তোচোষা

প্রথমে বাংলা লেখাটা শুরু করি বিজয় দিয়েই,তাই বিজয়কে ধন্যবাদ।
কিন্তু মোস্তফা আঃজব্বার সাহেব যেই কার্যকর্ম শুরু করেছেন তাতে উনি এখন বাংলা লেখার ইতিহাসের ভিলেন হিসেবে নিজেকে পরিনত করেছেন।
ধন্যবাদ পাওয়ার পরিবর্তে এখন তিনি ঘৃনার পাত্র হয়েছেন,লোভ মানুষকে কতটুকু নিচে নামাতে পারে তার স্পষ্ট উদাহরন মনে হয় উনি।
এখন আবার উনার টাকার সাথে ক্ষমতারও যোগ হয়েছে মাঝে মাঝে দেখি দেশের ডিজিটাল ক্ষমতা বানদের সাথে উঠা বসা করছেন,
আর এই জন্য মনে হয় উনার মাথাটা একেবারেই গেছে।
উনার জন্য দোয়া করি যেন উনার মাথাটা আল্লাহ ঠিক করে দেন তা না হলে বাংলা লেখার অগ্রযাত্রার পথ মসৃন হবেনা।

Level 0

সেই ছোটতে পড়েছি,
আপনারে বড় বলে, বড় সে-ই নয়,
লোকে যারে বড় বলে, বড় সে-ই হয়।

আসলে কোটেসন টা দিলাম এজন্যই যে ছোট্ট ভাই সাইফ সান্তনা পাবে। আর সাইফ যে সিত্যই বড় তার প্রমাণ সে ইতোমধ্যে সবার সামনে জলবৎ-তরলং।

বাংলা লেখার পদ্ধতি উদ্ভাবন মোস্তফা জব্বারের অনেক ভুমিকা আছে শিকার করি। কিন্তু তিনি যদি মনে করেন তিনি বিজয়ের মালিক বইলা আর কেউ বাংলা লে আউট তৈরি করতে পারব না তা তো ঠিক না। প্রায় মাস খানিক আগে আমি ইস্টার্ন প্লাসের ল্যাপটপ বাজারে বিজয়ের শো রুমে গেছিলাম তারা আমার কাছে বিজয়ের সর্ব শেষ সংস্করন বিজয় ৭১ এর দাম চাইল ৭,০০০/- । আমার প্রশ্ন হইল যে দেশে একটা মোটামুটি কম্পিউটার কিনতে কম বেশী ২০,০০০/- টাকা লাগে সেখানে ছোট একটা সফটওয়্যারের দাম কিভাবে ৭,০০০/- টাকা হয়। তাছারা তিনি তার বিজয় সিডিতে যদি ওপের সোর্স এর দোহাই দিয়া ফায়ারফক্স, ওপেন অফিস, পিজিন সহ অন্যান্য সফটওয়্যার বিক্রি করতে পারেন তাহলে কেউ যদি বাংলা লেখার জন্য ওপেন সোর্স লে আউট তৈরি করে তাতে সমস্যা কি। সমস্যা কি এই টা? যে তিনি অযৌক্তিক দামে তার সফটওয়্যার বিক্রি করতে পারছেন না?

বাংলা লেখার পদ্ধতি উদ্ভাবনে মোস্তফা জব্বারের অনেক ভুমিকা আছে শিকার করি। কিন্তু তিনি যদি মনে করেন তিনি বিজয়ের মালিক বইলা আর কেউ বাংলা লে আউট তৈরি করতে পারব না তা তো ঠিক না। প্রায় মাস খানিক আগে আমি ইস্টার্ন প্লাসের ল্যাপটপ বাজারে বিজয়ের শো রুমে গেছিলাম, তারা আমার কাছে বিজয়ের সর্ব শেষ সংস্করন বিজয় ৭১ এর দাম চাইল ৭,০০০/- । আমার প্রশ্ন হইল যে দেশে একটা মোটামুটি কম্পিউটার কিনতে কম বেশী ২০,০০০/- টাকা লাগে সেখানে ছোট একটা সফটওয়্যারের দাম কিভাবে ৭,০০০/- টাকা হয়। তাছারা তিনি তার বিজয় সিডিতে যদি ওপেন সোর্স এর দোহাই দিয়া ফায়ারফক্স, ওপেন অফিস, পিজিন সহ অন্যান্য সফটওয়্যার বিক্রি করতে পারেন তাহলে কেউ যদি বাংলা লেখার জন্য ওপেন সোর্স লে আউট তৈরি করে তাতে সমস্যা কি। উনার মত লোকের তো এতে উৎসাহ দেয়ার কথা। সমস্যা কি এই টা? যে তিনি অযৌক্তিক দামে তার সফটওয়্যার বিক্রি করতে পারছেন না?

অভ্র!! সে তো প্রানের প্রিয়তম, অভ্র আছে বলেই সাচ্ছন্দে বাংলা লিখতে পারি, অভ্র না থাকলে আমি হয়ত বাংলা লিখতে পারতাম না।

বিজয়কে আমার কাছে মনে হয় “দূরছাই” এইডা কিসসু হইলো!!! এইটা শুধু শুধু পেইন দেয়।